তৃণমূলকে অবমূল্যায়ন ও দোসরদের সাথে আঁতাতের অভিযোগ: নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ ও অসন্তোষ

নারায়ণগঞ্জ ৭১ নিউজ: ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতিকে ত্যাগীদের মূল্যায়ন সাংগঠনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তৃণমূল হতে কাজ শুরু করেছে।  কর্মী ও জনগনের আস্থা ফিরিয়ে আনতে অনেকটা কঠোর অবস্থানে গিয়ে কাজ করছে সাংসদ এড আবুল কালাম ও তার রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউসার আশা।  বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে যারা ঘরে ঘুমাতে পারেনি।  হামলা, মামলা, প্রশাসনিক হয়রানি ও নির্যাতনে সব কিছু হারিয়ে দিশেহারা তাদেরও একটা তালিকা তৈরি করছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

মহানগর বিএনপির নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব হান্নান সরকার বলেন, ক্ষমতাসীন দলের ( বিএনপির) নেতারা সেই দোসরদের সাথে গোপন আতাতুর্কের হাতে হতাশা ও দিশেহারা হয়ে পড়ছে। নেতাদের আতাত, ত্যাগী, কারা নির্যাতিত, আপোষহীন নেতা, কর্মীদের বুকে ক্ষোভের সঞ্চয় হচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটের বিএনপির রাজনীতিতে ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন আর ভীরতে না পারার আফসোস নিয়ে দিন কাটাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এমপি এড. আবুল কালাম ও তার রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউসার আশার কাছে বিশেষ আহবান বিএনপির আপোষহীন নেতাদের দিকে দৃষ্টি দেন। সংগঠন গতিশীল না হলে আমরা ব্যার্থ।

মহানগর বিএনপির নেতা ও হেট্রিক বিজয়ী সাবেক কাউন্সিলর সুলতান আহমদ বলেন স্বৈরাচারী সরকারের সেই দেখানো পথেই হাটছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের এমপি, মন্ত্রী ও নেতারা আখের গুছিয়ে কর্মী শূন্য জনগনের মাঝে অনেকটা আতংক ছিল। যার ফলসূতিতে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর আখের গুছানোরা কেউ দেশ ত্যাগ, কেউ অল্প কয়েকদিন আত্নগোপনে গিয়ে আতাত করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নেতাদের সাথে। দীর্ঘদিনের গুছানো ব্যবসা বাণিজ্যসহ সার্বিক অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো বিএনপি নেতারা তাদের অবস্থান করে নিলেও ত্যাগী, বিগত ফ্যাস্টিট সরকারের সময়ে হামলা, মামলা, কারা নির্যাতিত ও জুলাই যোদ্ধাদের মূল্যায়ন না করার অভিযোগ ত্যাগীদের। সকল সেক্টর পূর্বের নিয়মে চলছে, শুধু পরিবর্তন মুখোশ। অর্থ উর্পাজনের মুহে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি কর্মীদের অবমূল্যায়ন, স্বৈরাচারী সরকারের নেতাদের সাথে আতাত বিশিয়ে তুলছে।

মোঃ মনির হোসেন বলেন, নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী সরকারের পতন হয়েছে। অন্তভর্ত্তিকালীন সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেয়। নির্বাচনে জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা প্রতীক ধানের শীষ বিএনপি সরকার গঠন করে। দল ক্ষমতায় দূর্ভোল হচ্ছে সংগঠন। নেতারা পূর্বের দেখানো সেই পথে হাঠছে, অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে ত্যাগী, হামলা, মামলার শিকার কর্মী বাহিনীকে। যা কোরবানি ঈদের হাটের বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে৷ কর্মীদের নানামুখী পোস্ট দেখা মিলেছে। তাহলে সেই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ পরিনত হতে যাচ্ছে। সংগঠনের মূল প্রাণশক্তি বা অক্সিজেন হলো কর্মী ও জনগন। সেই অক্সিজেন ( কর্মী) সংকটে পড়তে যাচ্ছে বিএনপি।

বিএনপির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কঠোর হুশিয়ারি ও বার্তা থাাকলেও কৌশলে নেতারা ডোন্ট কেয়ার। জনগন, কর্মীবাহিনীকে নিয়ে সংগঠনকে গতিশীল করতে নির্দেশ থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন। বিএনপি ক্ষমতায় প্রায় সাড়ে ৭ মাস। স্বৈরাচারী সরকারের ১৬ বছরে যতটুকু জনবিচ্ছিন্ন ও কর্মী শূন্য মেরুদণ্ডহীন সংগঠনে রুপ নেয়। তাদের সেই দেখানো পথে হেটেই বিএনপি মাত্র সাড়ে ৭ মাসে কর্মীবাহিনী হারাতে বসছে।

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়তা, গতিশীল করতে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« মে ২০২৭ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
     
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১