ব‍্যবসায়ী সোহাগের অপহরণকারীরা মূল হোতা জিতু বাহিনী আবার তৎপর ব‍্যবসায়ীদের শংকা ভয়

নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট ব‍্যবসায়ী সোহাগের অপহরণকারীরা মূল হোতা জিতু বাহিনী আবার তৎপর যে কোন সময়  আবারও ঘটে যেতে পারে অঘটন এমনটাই শংকা করছেন প্রত‍্যক্ষদর্শী ব‍্যবসায়ী মহল।

 

ব‍্যবসায়ী সোহাগ যে এলাকা থেকে অপহরণ হয়েছিলো সে এলাকার দিয়েই বাইক চালিয়ে প্রতিদিনই চলা ফেরা করছে অপহরণকারী চক্রের হোতা জিতু ও তার গ্রুপের সদস‍্যরা। দেখাগেছে কাশিপুর,ভূইয়া পাড়া, বৌ বাজার, দেওভোগ বেপারী পাড়া, মাসদাইর, বোয়ালিয়া খাল,কলেজ রোড,গলাচিপা,পালপাড়, চানমরী, খানপুর, মিশনপাড়া, লিন্করোড় এলাকায় ইদানীং এদের বিচরন বেশির ভাগ দেখা গেছে। এতে জনমূখে শোনা যাচ্ছে সদ‍্য আগত পুলিশ সুপার কি পারবে!

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো: হাবিবুর রহমান  আপনি যখন জেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতিকে শান্ত করতে একেরপর এক অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলছেন ঠিক তখনই বীরদর্পে বুক ফুলিয়ে হোন্ডায় চড়ে নগরের অলিগলিতে প্রকাশ‍্যেই দাপড়িয়ে বেড়াচ্ছে ভয়ংকর অপরাধীরা। দিব্বী মহল্লায় আড্ডা মারছে বাসায় থাকছে। মানুষ কে ফাপড় মেড়ে আরও উল্টো চান্দা ধান্ধাবাজী করছে অথচ তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ থাকারপর ও আপনার সুযোগ‍্য শ্রীমান পুলিশের সদস‍্যরা বলছে ওরা নাকি দেশেই নেই আবার  অনেক সময় বলছে শহরে নেই বলে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মূলত আপনার কিছু অসাধু সদস‍্যদের কারণে এই নগরীতে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব‍্যবসায়ী শিল্পপতিরা আজ বিপাকে আতঙ্ক গ্রস্থ অবস্থায় দিন পার করছে। ঐ অপরাধীদের সাথে আপনার কতিপয় অসাধু পুলিশ সদস‍্যদের সাথে রয়েছে অনৈতিক সম্পর্ক। যার কারণেই আপনি  অক্লান্ত পরিশ্রম করেও পাচ্ছেন না কাংখিত সাফল‍্য।

নারায়ণগঞ্জে আপনার দায়িত্ব গ্রহনের আগে ঘটেছিলো নগরীতে বিশাল এক আলোচিত অপরাধ মূলক ঘটনা ঐ রাতে থেকে পরদিন সকাল পযর্ন্ত খুবই আতংকগ্রস্থ হয়ে পরেছিলো সমগ্র নারায়ণগঞ্জের ব‍্যবসায়ী মহল সহ গোটা জেলা ও পুলিশ প্রশাসন। ঘটনার দিনটি ছিলো ১ জুন ২০২৫, উদ্ধার ২ জুন ২০২৫ রাতে নগরীর কলেজ রোড় এলাকায়। ঐ রাতে  পরিকল্পিত ভাবে অপহরণ হয় বাংলাদেশ আটা ময়দা মালিক মিল মালিক সমিতি ও ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি,নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ।

মো. আল আমিন শেখ ওরফে জিতু’র পরিকল্পনায় ও নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাসের জেনারেল গ্রুপের পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সোহাগকে গত বছরের ১ জুন রাতে নারয়নগঞ্জ শহরের কলেজ রোড এলাকা ৫-৬ জন ব্যক্তি অপহরন করে পটুয়াখালী নিয়ে যায়। সোমবার (২ জুন ) পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর ফেরিঘাট এলাকায় গাড়ির ভিতর থেকে হাত-পা বাধা তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ অপহরনকারীদের কয়েকজনকে আটক করে আদালতে প্রেরন করে।

গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখে আসামীরা জামিনে বের হয়। জামিনে বেড়িয়ে অপহরনের মুলহোতা আল আমিন ওরফে জিতুর পরামর্শে জামিনপ্রাপ্ত আসামীরা নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাসের জেনারেল গ্রুপের পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সোহাগকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। নিজের ও পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গত ১২ জানুয়ারী ফতুল্লা থানায় সাধারন ডায়েরী নং-৯৭১ করেন।

নিচে মো: সোহাগের সাধারন ডায়েরীর কপিটি হুবুহু তুলে ধরা হলো

 

বিষয় : সাধারণ ডােয়রী করার আবেদন প্রঙ্গগে।

জনাব,

আম নিম্ন স্বাক্ষরকারী মোঃ সোহাগ (৪১),ি পতা: আুব্দুস সালাম, মাতা : রাহীমা বেগম, জাতীয় পরিচয় পত্র নং : ৭৭৮৮৫৪১৯৭২ ঠিকানা (স্থায়ী) -৬/২, গ্রাম

-আমলাপাড়া , থানা -নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা -নারায়ণগঞ্জ ও ঠিকানা (বর্তমান)-, গ্রাম-জামতলা, ইউনিয়ন/ওয়ার্ড-এনায়েতনগর, থানা-ফতুল্লা জেলা-

নারায়নগঞ্জ , মোবাইল নং -০১৬০৮৯২৫২৫১।

থানায় হািজর হইয়া বিবাদী ১। আল আমিন ওরফে জিতু (৩০),পিতা-আব্দুররব শেখ, মাতা-উম্মে হানি ওরফে ময়না, সাং-পশ্চিম সৈয়দপুর, থানা ও

জেলা-নারায়ণগঞ্জ ২। মোঃ সািকব হোসেন (২৪),পিতা-দুলাল হোসেন, মাতা শিউলী বেগম, সাং-১২০, নলুয়া রোড, শীতলক্ষা ম খন্ড , থানা-নারায়নগঞ্জ সদর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ , এ/পি সাং-আলামিন নগর, মুসলিম মোল্লার বাড়ীর ভাড়ািটয়া, থানা-নারায়নগঞ্জ সদর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ , অন্যান্য উৎস হতে প্রাপ্ত সাং-জগতপুরা নিলল বাজার, থানা-গোপালপুর, জেলা-টাঙ্গাইল, ৩। মোঃ কবির হালদার (৪০),পিতা সিরাজ হালদার, মাতা-রীনা বেগম, সাং-(জালিয়ার চর, ইউনিয়ন- জালিয়ার চর), থানা-রায়পুর, জেলা-লক্ষীপুর, এ/পি সাং-জালতলা, ধোপাপট্টি, (সিলেট্টার বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-ফতল্লুা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ , ৪। মোঃ ছাহাদ (২৩),ি পতা-মোঃ আবু সাইদ, সাং-সৈয়দপুর, কড়ইতলা, থানা-নারায়নগঞ্জ সদর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ , ৫। ইমরান হোসেন মোহন (৩১),পিতা-মৃত ইউনুস মিয়া, মাতা- মোছাঃ বিলকিস বেগম, সাং-রাজমেহার উত্তর পাড়া, ভাগনবাড়ী, ওয়ার্ড নং-০৪, ইউনিয়ন-রাজমেহার), থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুিমল্লা, এ/পি সাং-সাইলো গেইট, আবুল বাশার এর বাড়ীর ভাড়ািটয়া, থানা সিদ্ধিরগঞ্জ , জেলা-নারায়ণগঞ্জ দেরবিরুদ্ধে এই মর্মে সাধারণ ডায়েরী করার আবেদন

করিতেছ যে, আমি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। গত -০১/০৬/২০২৫ ইং তারিখে উল্লেখিত বিবাদীরা আমাকে সরকারী তোলারাম কলেজ এর সামনে হইতে অপহরন করিয়া পটুয়াখালী পায়রা বন্দর এলাকায় নিয়া যায়। পরবর্তীতে আমার স্ত্রী মোসাঃ তানিয়া আহাম্মেদ বাদী হইয়া ফতল্লুা থানায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে, যাহার মামলা নং-১২(০৬)২৫, ধারা-৩৬৪/৩৪ দঃি বঃ। পরবর্তীতে ফতল্লুা থানা পুুিলশ উক্ত মামলায় ২ হইতে ৫নং আসামীদরকে গ্রেফতার করার পর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ আদালত সকল আসামীগনকে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে ১নংবিবাদী আমাকে অপহরন করার সকল পরিকল্পনা করিয়াছে মর্মে আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান করে। উক্ত ১নংবিবাদী এই সংবাদ পাইয়া আমাকে বিভিন্ন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করিয়া আমাকে ও আমার স্ত্রীকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করিয়া বলে যে, আমার স্ত্রী যদি বিবাদীদর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা উঠাইয়া না নেয় তাহা হইলে আমাদেরকে যে কোন বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করিবে। ইতোমধ্যে ২ হইেত ৫নং বিবাদীগণ বিজ্ঞ আদালত হইতে জামিনে আসিয়া ১নং বিবাদীর ইন্দনে ও প্ররোচনায় আমাদেরকে মামলা উঠাইয়া নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি ও জীবন নাশের হুমকি দিয়া আসিতেছে। বেশ কিছুিদন যাবৎি বিভিন্ন তািরখ ও সমেয় ১নং বিবাদী আল আমিন ওরফে জিতু এর শলাপরামশক্রমে রােশদুল হক সাজু (৪৫), পিতা-মোঃ রিয়াজুল হক চৌধুরী, মাতা-নািছমা আক্তার, সাং-বি বি রোড, বাসা/হোলডিং নং- ৬৩/১, থানা ও জেলা-নারায়ণগঞ্জ তাহার ববহৃত মোবাইল নং-০১৭১৫-২২০০৮০ এবং মিজানুর রহমান (৪১),পিতা-আলী আহাম্মেদ, মাতা-জাহানারা বেগম, সাং-দক্ষিন সাকুিচয়া, থানা-মনপুড়া, জেলা-ভোলা তাহার ববহৃত মোবাইল নং- ০১৭১১-২২৪১০৩ হইতে আমার ব্যক্তিগত মোবাইল নং-০১৬০৮-৯২৫২৫১ তে বিভিন্ন ভয়েস মেসেস ও আমার বিভিন্ন ব্যবসায়ীকছবি এডিট করিয়া বিভিন্ন মিথ্যা বানোয়াট, তঞ্চ কতা মূলক কথাবার্তা লিখিয়া পাঠাইয়া আসিতেছে এবং আমাকে প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি ও জীবন নাশের হুমকি প্রদান করা সহ আমাকে বলে যে, আমরা যদি বিবাদীদের বিরুদ্ধে আমােদর দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করিয়া না নেই তাহা হইলে উক্ত ছবি সামািজক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করিয়া আমার এলাকায় ও ব্যবসায়ীক মহলে মান-সম্মান ক্ষুন্ন করিয়া আমাকে ব্যবসায়ীক ও আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করিবে। বিবাদীদের এহেন হুমকিতে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেতিছি বিধায় বিষয়িট ভবিষ্যেতর জন্য সাধারণ ডায়েরী ভূক্ত করার

আবেদন করিলাম। এমতাবস্থায়, উপরোক্ত বিষয়িট ভবিষ্যেতর জন্য সাধারন ডাইরীভূক্ত করিয়া রাখা একান্ত প্রয়োজন।

অতএব, উপরোক্ত বিষয়টি আপনার থানায় সাধারন ডাইরীভূক্ত করিতে জনাবের মর্জি হয়।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাসের জেনারেল গ্রুপের পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সোহাগ বলেন, আমি ও আমার পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। এ রকম অবস্থা চলতে থাকলে আমার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। আমি ঢাকা রেন্জের ডিইজি, নারায়নগঞ্জের পুলিশ সুপার ও ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এর এক বছরপর আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ অপহরণ মামলায় সাতজনের বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছেন আদালত।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা আমলি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এম. সাইফুল ইসলাম অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেন। মামলার অভিযোগপত্র নম্বর ৩১৮।

তদন্ত শেষে পুলিশ সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং তিনজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। বাদীপক্ষের অভিযোগপত্র নিয়ে কোনো আপত্তি না থাকায় এবং উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তা গ্রহণ করেন।

অভিযোগপত্রে অভিযুক্তরা হলেন মো. আল আমিন শেখ ওরফে জিতু, মো. কবির হালদার, লতিফ সিদ্দিকী রতন, সাব্বির আহমেদ, ইরান হোসেন মোহন, মো. সাকিব হোসেন ও মো. ছাহাদ গণ। পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় তিনজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও তদন্ত নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জুন রাতে সরকারি তোলারাম কলেজের সামনে থেকে মোহাম্মদ সোহাগকে অপহরণ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, কয়েকজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে তাকে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। পরদিন ২ জুন পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর এলাকার একটি ফেরিঘাটের কাছ থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়

এ ঘটনায় সোহাগের স্ত্রী তানিয়া আহম্মেদ বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার নম্বর ১২(০৬)২৫। এতে দণ্ডবিধির ৩৬৪/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তের সময় বিভিন্ন আলামত, সাক্ষীদের বক্তব্য, প্রযুক্তিগত তথ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়েছে। অপহরণে ব্যবহৃত যানবাহন, মোবাইল ফোনের যোগাযোগ এবং বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্য তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

অভিযোগত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের দেওয়া তথ্য এবং তদন্তে পাওয়া অন্যান্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সাতজনের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়।

আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের পর মোহাম্মদ সোহাগ বলেছেন, “আমি মনে করি আইনের বিচার ও ন্যায়বিচার হবে। চার্জশিটে যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আমি প্রত্যাশা করি, আদালতের মাধ্যমে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।

অভিযোগপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলাটি এখন বিচারিক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই হবে।

মামলার সংক্ষিপ্ত তথ্য হলো, ভুক্তভোগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ, বাদী তানিয়া আহম্মেদ, মামলা নম্বর ১২(০৬)২৫, থানা ফতুল্লা মডেল থানা, নারায়ণগঞ্জ, ধারা দণ্ডবিধির ৩৬৪/৩৪, ঘটনার তারিখ ১ জুন ২০২৫, উদ্ধার ২ জুন ২০২৫ পায়রা বন্দর এলাকা, পটুয়াখালী এবং অভিযোগ পত্র নম্বর ৩১৮।

বতর্মানে মামলার মূল আসামী জিতু ও তার সহযোগীরা প্রকাশ‍্যেই হোন্ডা দাপড়িয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।   নানা অপরাধ মূলক কার্যক্রম সহ মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে।  এই বিষয়ে থানা পুলিশকে জানালে তারা উপরুক্ত মতপ্রকাশ করছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে ব‍্যবসায়ী মহল বলতে শুরু করেছেন নারায়ণগঞ্জ পুলিশের সুদক্ষ কর্ণধার বিষয়টি জানেনকি!

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« ফেব্রুয়ারি ২০২৭ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮