নারায়ণগঞ্জ ৭১ : মেহেদীর রং মুছতে না মুছতেই সুমাইয়া আক্তার ঝড়া (২১) নামের এক সুন্দরী গৃহবধূকে র্নিমমভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাতে নগরীর খোয়ারপট্টি এলাকার ডাক্তার বাড়ী থেকে নব বিবাহিতা নিহত গৃহবধূ সুমাইয়ার মৃতদে সদর মডেল থানার পুলিশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

নব বিবাহিতা নিহত গৃহবধূ সুমাইয়ার আক্তার ঝড়া’র বড় ভাই রিংকু অভিযোগ করে এ প্রতিবেদককে জানায় দীর্ঘ ১০ বৎসর বহু তৎবির, আকুতি মিনতী করে নগরীর খোয়ারপট্টি এলাকার ডাক্তার বাড়ীর ফারুক হোসেনের ছেলে ফাহাদ হোসেন বাবু গত ১৬ দিন আগে মুন্সিগঞ্জের রামপালের সেন্টু বারীর মেয়ে সুমাইয়া আক্তার ঝড়াকে বিয়ে করে।

পারিবারিক ভাবে বহুধূম ধামে ও নানা আয়োজন আপ্যায়নের মধ্যদিয়ে সুমাইয়া আক্তার ঝড়া (২১) সাথে ফাহাদ হোসেন বাবু’র বিয়ে হওয়ারপর গত ৪ দিন আগে ঝড়াকে রেখে ওর স্বামী চলে যায় আমেরিকায়।

নগরীর খোয়ারপট্টি এলাকার ডাক্তার বাড়ী বাবুর বাবার বাড়ীতে নববধূ ঝড়াকে রেখে যাওয়ারপর থেকে ওর দুই ননদ ও ননদ এ্যানির স্বামীর সাথে ঝগড়া শুরু হয়।

সুমাইয়া আক্তার ঝড়া বিষয়টি ফোনের মাধ্যমে ওর বাবা ও মাকে জানানোরপর ২৭ মার্চ সকালে ঝড়ার বাবা মা ওর শ্বশুরবাড়ীতে এসে মেয়ে কে তাদের বাড়িতে নেয়ার কথা জানায় । এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ্যানির স্বামী ঝড়াদের বাড়ীতে মোবাইল যোগে ফোন করে ঝড়ার মা নাজমা বেগমকে জানায় যে, ঝড়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

মেয়ের মৃত্যুর কথা শুনে ঝড়ার বাবা মা ,একমাত্র ভাই ও আত্বিয় স্বজনরা ছুঁটে আসে নারায়ণগঞ্জের খোয়ারপট্টির ডাক্তার বাড়ীতে । এসেই দেখে তাদের সন্তানের মৃতদেহ । শুরু হয় বাবা, মা, ভাই ও স্বজনদের বুকফাটা আর্ত্বনাদ। মেয়ে হারানোর বুক ফাটা আর্ত্বনাদে আশে পাশের লোকজন ছুঁটে আসে। সেইসাথে ঘটনাস্থলে সদর মডেল থানার পুলিশও।

ঝড়া কি ভাবে মারা গেছে এই প্রশ্নের উত্তরে ননদ এ্যানির স্বামী জানায় গলায় ফাঁসদিয়েছে । ঘরের ফেনের সাথে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

ঝড়া’র বড় ভাই রিংকু অভিযোগ করে, তার একমাত্র বোন আত্মহত্যা করতে পারে না , ওরা মানে ঝড়ার দুই ননদ ও ননদের স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ীর লোকেরা পরি কল্পিত ভাবে খুন করেছে।

ওর স্বামী আমেরিকা যাওয়ার আগে এয়ারপোর্টে বিদায় বেলায় ঝড়াকে বলে গিয়েছিলো শোনা তুমি চিন্তা করবে না আমি আগামী একমাসের মধ্যে তোমাকে আমেরিকা আমারকাছে নিয়ে যাব।

ঐসময় ঝড়ার ভাই সামনে ছিলো আর বোনের অকাল মৃত্যুতে শোকে কাতর রিংকু চিৎকার করে কাঁেদ আর বলতে থাকে তোর আর আমেরিকা যাওয়া হলোনারে বোন । তোকে লাশ বানিয়ে বাপের বাড়ীতে ফিরিয়েদিল ওরা।