নারায়ণগঞ্জ৭১: দেশবাসি যা দেখছে সেটাতে রিফাত ভাইয়ে বউ মীন্নি নির্দোষ। কিন্তু ভেতরের খবরটা সবারি অজানা! এই মিন্নি গত ২৬-০৬-১৯ খ্রিঃ সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় রিফাত শরীফকে বরগুনা সরকারি কলেজে সাথে করে নিয়ে যায়। এবং খুনি নয়নের সাথে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে নিজের স্বামীকে হত্যা করে। প্রথমে কলেজের ভিতরে বসে রিফাত শরীফকে ১. নয়ন, ২. রিফাত ফরাজি ৩. রিশাদ ফরাজি ও অন্যান্য সহযোগীরা লাঠি ও চটপটি ভ্যানের লম্বা চামিচ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধোর করে।

তখন মিন্নী দাঁড়িয়ে দাড়িয়ে তামাশা দেখতেছিল। মারামারি এক পর্যায় মারতে মারতে রিফাত শরীফকে কলেজ গেটের সামনে নিয়ে যায়। এবং চলন্ত রাস্তার মধ্যে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তখন মিন্নী স্বামীকে বাচানোর যে নাটক টা করেছে সেটার কারনে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজটির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাব্লিসিটি পেয়ে যায়। কিন্তু পাবলিসিটি দেয়া মানুষ গুলো জানেনা এই মিন্নী খুনি নয়নের সাথে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে। আচ্ছা আপনারা কি খেয়াল করেছেন চাপাতি দিয়ে কোপানোর সময় মিন্নীকে একটা আঘাতও করেনি সন্ত্রাসীরা? কারন এই নয়নের সাথে মিন্নী পরকীয়াতে লিপ্ত ছিল এবং দুজনে এক সাথে ইয়াবা সেবন করত।

বলে রাখা ভাল নয়ন বরগুনা জেলার মাদক সিন্ডিকেটর মূল নায়ক যার নামে বরগুনা সদর থানায় কমপক্ষে ২০টা মামলা আছে! কলেজের ভেতরে মারামারি হওয়া আগ মূহুর্তে রিফাত শরীফ মিন্নীকে নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে চাইলে মিন্নী বিভিন্ন বাহানায় রিফাত শরীফ কে আটকে রেখেছিল। রিফাত ভাই ঐ সময় যদি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করত তাহলে হয় তো বেচে যেত। হায়রে ভালবাসা মেয়েটা কে ভাই ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। রাস্তার মধ্যে দাড়িয়ে দাড়িয়ে দা, চাপাতির যন্ত্রণা সহ্য করেছে। শেষে রক্তাক্ত রিফাত ঘাড় হইতে গলা পর্যন্ত গুরুতর জখম নিয়ে বরগুনা সদর হাসপাতালে যায় এবং মিন্নী বরগুনা সদর হাসপাতা থেকে বাড়ি চলে যায়। পরে রিফাত শরীফকে নিয়ে ভাইয়া শের-ই-বাংলা মেডিকেলে পৌছাবার আগে কান্না ভাঙ্গা গলায় আমাকে ফোন দিয়ে বলে, “ভাই তুই কই জলদি