নারায়ণগঞ্জ ৭১ : নগরীতে সরকার নিষিদ্ধ অটোরিক্রা (ইজি বাইক) এর অবৈধ ষ্ট্যান্ডগুলো চলছে যেন বহাল তবিয়তে। এসব অবৈধ ইজি বাইকের ষ্টান্ডগুলো নিয়ন্ত্রন করছে হত্যা মামলার আসামী, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও বিরোধী দলীয় কতিপয় নামধারী নেতারা। নারায়ণগঞ্জ সদর থানার শহরের জিমখানা এলাকায় প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে বীর দর্পে চলছে এসব সরকার নিষিদ্ধ ইজি বাইকের ষ্টান্ডগুলো!

শনিবার (২০জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন এলাকার শহরের জিমখানা এলাকায় এসব অবৈধ ইজি বাইকের চালকদের কাছ থেকে থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করতে দেখা গেছে!

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়নের সাধারন ইজি বাইক চালকরা জানান, প্রতিদিন কাশিপুর দেওয়ানবাড়ি টু শহরের জিমখানা এবং কাশিপুর খিলমার্কেট টু শহরের জিমখানা এ দুটি এলাকা থেকে প্রতিদিন ২ শতাধিক ইজি বাইক চলাচল করে।

প্রতিদিন ৩৩০ টাকা করে এই সড়কে চলাচলরত গাড়ির চালকদের চাঁদা দিতে হয়। প্রতি মাসে শুধুমাত্র এই সড়কে ১৯লক্ষ ৮০হাজার টাকার চাঁদা নেয়া হচ্ছে। বিএনপি নামধারী কতিথ নেতা ও কাশিপুর খিলমার্কেট এলাকার জোড়া খুন মামলার অন্যতম আসামী মোঃ হাসান নিষিদ্ধ এসব ইজি বাইক ষ্ট্যান্ড থেকে তার নিযুক্ত লোকজন প্রতিদিন চাঁদা আদায় করছে বলে তারা জানায়!

তারা আরো জানায়, এ সকল ইজি বাইকের ষ্ট্যান্ড চাঁদাবাজরা হলো শহরের ১নং বাবুরাইল এলাকার জোরা ব্রীজ সংলগ্ন এরাকার মাদক ব্যবসার ডিালার হিসেবে খ্যাত আকরাম, জুম্মান ও মিন্টু। অপর ইজি বাইক চাঁদাবাজরা হলেন, ১নং বাবুরাইল এলাকার শিপলু, মান্নান, দোলন, লাভলু, শহিদ, রাজন, কোরবান, রানা, হান্নান ছোট আলামিন ও পোকা।

প্রতিদিন কাশিপুর এলাকায় সন্ধার পর প্রতিটি ইজিবাইক গ্যারেজ গুলোতে গিয়ে এ সকল ইজি বাইক চাঁদাবাজরা গাড়িরর চালকরা টাকা না দিলে চাঁদার টাকা তারা জোর পূর্বক নিয়ে আসে। টাকা না দিলে তাদেরকে মারধর করা হয় বলে তারা জানায় তারা। সরকার নিষিদ্ধ এ সকল ইজি বাইকের চালকরা যেন জিম্মি এসব চাঁদাবাজদের নিকট।

বিষয়টি বিষেশভাবে নজরে আনার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অত্র সড়কে চলাচলরত সাধারন ইজি বাইক চালক ও মালিকগণ।