নারায়ণগঞ্জ৭১: সদর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাটের শিডিউলকে কেন্দ্র করে উপজেলা পরিষদে হাতাহাতি ও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মারধরেরও শিকার হন কয়েকজন।

রোববার (৪ আগস্ট) সকাল ও দুপুরে পৃথকভাবে কয়েক পক্ষের মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে।
পরে সদর ইউএনও নাহিদা বারিকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পর থেকেই সদর উপজেলা প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, সকালে আলীগঞ্জ এলাকার একটি শিডিউল নিয়ে শ্রমিক নেতা কাউসার আহমেদ পলাশের অনুসারীদের সাথে সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনিরের অনুসারীদের তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতির মধ্যে গড়ালে উপজেলা পরিষদের ভেতরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ইউএনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এদিকে দুপুরে পৃথক আরেকটি ঘটনায় শিডিউল কিনতে আসা শাহীন ও নাসির নামে দুই ব্যক্তির সমর্থকদের মারধরের শিকার হন কাজী জিয়াউদ্দিন নামে আরেক ব্যক্তি।

এ সময় সদর উপজেলা পরিষদে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনির, কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী প্রমুখ।

জানা যায়, আগামী ৫ আগস্ট সদর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাটের ইজারা প্রদান করা হবে। সেলক্ষ্যে রোববার (৪ আগস্ট) শিডিউলের আবেদনের জন্য আহ্বান করা হয়। শিডিউল কিনতে এসেই এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিগত বছরগুলোতেও কোরবানির পশুর হাটের শিডিউলকে কেন্দ্র করে সংঘাত-সংঘর্ষের মতো ঘটনা ঘটেছে।