নারায়গঞ্জ৭১: পবিত্র ঈদ উল আজহার উপলক্ষে প্রতিবৎসরই নারায়গঞ্জের বিভিন্নস্থানে গরু ছাগলের হাট বসলেও নগরীর দুটি স্থানে বসেছিলো (গোস্তের) মানে মাংসের হাট। নাসিকের দুটি এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতি বৎসরের দুইদিন এই হাটের স্থায়ীকাল ও সময় থাকে।

নারায়গঞ্জের বিভিন্নস্থানে গরু ছাগলের হাট গুলোর জন্য ইজারা দেওয়া লাগলেও কোন ধরনের টেন্ডার ,সিডিউল,ব্যাংক ড্রাফ ব্যাংক ড্রাফ ও ইজারা ছাড়াই গোস্তের হাট দুটি বসে। হাট দুটির মধ্যে একটি হচ্ছে নগরীর ২নং রেল গেইটস্থ অগ্রণী ব্যাংকের সামনের খালি সড়কে এবং অপরটি নগরীর জিরো পয়েন্টের কাছা কাছি চাষাড়া এলাকায় ।

যদিও গোস্তের হাট দুটির মধ্যে সর্বপ্রথম হাটটি নগরীর ২নং রেল গেইট এলাকায় বসলেও চষাড়ারটি বিগত ১০ বৎসর যাবৎ দেখা যাচ্ছে । কোন বৎসর বা সন থেকে নগরীর ২নং রেল গেইটস্থ অগ্রণী ব্যাংকের সামনের খালি সড়কে মাংসের হাট বসা শুরু হয় এটার সঠিক সময়, দিন ক্ষণ ও বৎসরে সঠিক তথ্য জানা না গেলেও অনেকের মতে দেশ স্বাধীনের কয়েক বছরপর থেকেই শুরু হয় হাট বসা।

এই হাটের বিক্রেতারা হচ্ছেন ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত হত দরিদ্র ভিক্ষুকরা আর ক্রেতারা হচ্ছেন মধ্যবিত্ত ,নিন্মমধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষ। বিগত বৎসর গুলোতে এই হাটে ব্যাবসায়ী চক্রের কোন প্রভাব না পড়লেও বিগত তিন বৎসর যাবৎ এই হাটকে গিরে তৈরী হয়েছে কয়েকটি চক্র।

কোরবানীর ঈদ মানে ঈদ উল আজহা এলেই একটি ব্যাবসায়ী চক্র উল্লেখিত এলাকায় এসে অবস্থাননেয় এবং তাদের চেলা চামুন্ডাদের দিয়ে ভিক্ষুকদের কাছ থেকে গোস্ত কিনেন কম দামে যেমন প্রতি কেজি ভালো মাংস ৪শত টাকা এবং একটু নিম্মমানে মাংস ৩শত টাকা কেজি, কান, গলা,মাথা ও চামড়া চাছা মাংসের দাম তার চেয়ে আরেকটু কমমূল্য।

এর আগে বলা বাহুল্য আগে এখানে ভিক্ষুকরা ভিক্ষেকরে আনা যার যার মাংস সে সে বিক্রি করতে পারলেও এখন এটা সম্ভব হচ্ছে না পুজিবাদী ব্যবসায়ী ও তাদের নিয়েজিত দালাল চক্রের কারণে। এটা এখন ঐ হাটের নিয়মে পরিণত হয়েছে। পুজিবাদী ব্যবসায়ী ও দালাল চক্রের পেশী শক্তির ও রক্ষ চক্ষুর কারণেই বিষয়টি হাটের নিয়মে পরিণত হয়েছে।

কোরবানীর পর বিভিন্ন বাসা থেকে ভিক্ষেকরে আনা ভিক্ষুকরা উল্লেখিত হাট গুলোতে মাংস পলিথিনে করে আনারপর পুজিবাদী ব্যবসায়ীরা তাদের দালালদিয়ে সেগুলো কিনে ভ্যানগাড়ী অথবা টেবিলের উপর পসরা সাজিয়ে বসে। ঈদের দিন সকাল ১১টার দিক থেকে শুরু হলেও হাটটি চলে পরদিন রাত পর্যন্ত।