নারায়ণগঞ্জ৭১: মায়ের মাংস টুকরো টুকরো করে প্রকাশ্যেই হাটে নিয়ে বিক্রি করলেন সন্তান ইশ্বর চন্দ্র ঋষি নামের এক ব্যক্তি। উল্লেখিত কথাগুলো পড়ারপর অনেকের চোখ কপালে উঠতেপারে বিস্তারিত পড়ারপর অবার অনেকে নানা মন্তব্য পারেন উল্লেখিত কথাগুলো সতি সত্যিই নয়, কিন্তু এই রিপটিংএর বিষয়টি মূলত এমনই।

ঘটনাটি ঘটেছে পবিত্র ঈদ উল আযহার দিন নগরীর ব্যাস্ততম এলাকা ২নং রেলগেইট এলাকায় সৈয়দ আলী চেম্বার সড়কে অগ্রনী ব্যাংকের সামনে বেলা তখন ৩টা বেজে ১৩ মিনিট।

ঘটনায় প্রকাশ, উল্লেখিত স্থানে পবিত্র ঈদ উল আযহার দিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত হত দরিদ্র মাংস ভিক্ষুকরা নগরীর ভিবিন্নস্থান থেকে কোরবাণীর গোস্ত ভিক্ষাকরে এনে বিক্রির জন্য একটি অস্থায়ী মাংসের হাট বসায়। কোণ ধরনের পে-অর্ডার-সিডিউল-ইজারা ছাড়াই বৎসরে একবার দুইদিন এখানে বসে মাংস বিক্রির হাট।

ঐহাটেই মাংস নিয়ে বিক্রি করতে বসা ইশ্বর চন্দ্রর কাছে মাংস কিনতে যাওয়া এক রসিক ক্রেতা মাংসের দামা-দামীর এক ফাঁকে বুঝতেপারেন দোকানী হিন্দু।আরে সেই সময়েই ঘটে যতো বিপত্তি। ঠাট্টার ছলে হঠাৎ রসিক ক্রেতা  ঠিক এই ভাবেই চিৎকার করে বলে উঠেন যে, এ দাদা তুই করিছিস কি?মাকে কেটে টুকরো টুকরো করে তাও এক বা দুই টুকরা না টুকরা টুকরা কইরা মায়ের গোস্ত বিক্রি করছিস? এমা হেতে করেছে কি?

রসিক ক্রেতার এমন উৎভট উচ্চারণে উপস্থিত অনেকের চোখ কপালে উঠার পরিস্থিতি।ঠিক সে মাংস বিক্রেতা ইশ্বর চন্দ্রও কিছুটা ভরকে গিয়ে মন্তব্য করেন,পাগল নাকি, লোকটি কি বলছে?রসিক ক্রেতা তরিৎ উপলব্ধি করতে পারেন তার রশিকতা মন্তব্যের কারণে অনাকাংখিত ঘটনা ঘটতে পারে তাই তিনি দ্রুত পরিস্থিতি সামলানোর জন্য পূণরায় বলে উঠেন আরে মশয়,অপনাদের ধর্মে গরুকে মায়ের আসনে দেখেন এবং গোমাতা বলে শ্রদ্ধা করেন, পূজা করেন। তাই আরকি মসকরা করে বলেছি মায়ের মাংস টুকরা টুকরা করে বিক্রি করছেন কিভাবে।বিষয়টি উপস্থিত জনতা বুঝতেপেরে হাসতে থাকেন আর হাফ ছেঁেড় বাঁচেন ইশ্বর চন্দ্র ঋষি নামক হত দরিদ্র মাংস ভিক্ষুক।