মাহমুদ হাসান কচি:- পুলিশের মূখ উজ্জল করে চলছেই সোনারগাঁও থানা এস আই আবুল কালাম আজাদ।বাংলাদেশ পুলিশের একজন খুদে সৈনিক এই আবুল কালাম আজাদ সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ড চালিয়ে তিনি এখন সোনারগাঁও বাসীর প্রিয়পাত্রতে পরিনয় হয়েছেন।সোনারগাঁও উপজেলাবাসীর মধ্যে এখন এক আলোচিত নাম আজাদ।সোনারগাঁও উপজেলায় হয়তো বহু আজাদদের বসবাস হলেও আজাদ নাম বলতেই তারা এক অর্খেই বুঝেন এস আই পুলিশ আজাদকে।

সোনারগাঁও থানায় পোষ্টিংএর পরথেকে আজও অবদি এই উপজেলা এলাকায় বসবাসকারী অবেহেলিত,নির্যাতিত,অসহায় মানুষদের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে তিনি যেসব সামাজিক উন্নয়ণ কাজ করেছেন তা দেশ স্বাধীনের পর থেকে আজকের এইদিন পর্যন্ত থানার ইতিহাসে কোন পুলিশ কর্তা ও সদস্য করেননি।

পুলিশের চাকুরী করে সামাজিক ও মানবিক কাজ করা অনেকেরপক্ষে অসম্ভবপর হলেও আজাদ সেই অসম্ভবকে সম্ভবে পরিণত করে তিনি যেমনি ব্যাপক পরিচিতি,জনপ্রিয়তা ও সুখ্যাতি অর্জনের মাধ্যমে গোটা বাংলাদেশ পুলিশের মূখও উজ্জল করেছেন।যা নি:সন্ধেহের ভূয়সী প্রশংসার দাবীদার।

শুধু সামাজিক ও মানবিক কাজ করেই আজাদ আজকে এই অবস্থানে আসেননি,তিনি সোনারগাঁয়ের সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সহ এই উপজেলা থেকে মাদকের ঘাটি চীরতরে উৎখাতের জন্য আধূনিক সোনারগাঁয়ের রুপকার, সোনারগাঁয়ে সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী আন্দোলনে আহব্বানকারী অন্যতম নেতা লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি সহ ভট্টপূর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভাপতি আবুনাইম ইকবাল, সাংবাদিক তুষার,সাংবাদিক হাসান মাহমুদ রিপন সহ ভিবিন্ন নেতৃবৃন্ধের সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন এবং সফলও হয়েছেন।

সোনারগাঁয়ের ভালো মানুষদের কাছে যখন এস আই আজাদ হচ্ছেন যেমন বাংলাদেশ পুলিশের একটি পবিত্র ও উজ্জল মূখ ঠিক তার পাশাপাশি সোনারগাঁ উপজেলায় বসবাসরত ছিচকে মাস্তান থেকে শুরু সকল প্রকার মাদক কারবারীদের কাছে আদাজ হচ্ছে আতংকের আরেক নাম।

আবুল কালাম আজাদ সামাজিক ও মানবিক কাজ করেই ক্ষান্ত হননি তিনি ইতিমধ্যে সোনারগাঁয়ের প্রতিটি স্কুল,মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীদের মনও জয় করে নিয়েছেন যার কারনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোনস্থানে ছোট মামা।ছোট মামার ব্যাখ্যা স্বরুপ হচ্ছে বড় মামা লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি,মেঝ মামা শিক্ষানুরাগী আবু নাঈম ইকবাল এবং ছোট মামা হচ্ছেন পুলিশ মামা আজাদ।

এখানেই শেষ নয় আজাদের সোনারগাঁ বাসীর মনজয় করার কাহিনী – পিকচার ম্যা থোড়া ছা টুইষ্টবাকী হ্যায়, বাংলাদেশ পুলিশের মূখ উজ্জলকারী এই আজাদ সোনারগাঁয়ে আসহায়,হতদরিদ্র,অবেহেলিত মানুষদের দুঃসময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে আজাদ শুধু নিজের ও তার বাহিনীর মূখ উজ্জলই করেই ক্ষান্তহননি আজাদ প্রমাণ করেছেন সে এই দেশের সুযোগ্য পুলিশ বাহিনীর অন্যতম একজন, সর্বপুরি একজন সত্যিকারের মানুষ।মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আল আমিন কতৃক প্রেরিত পবিত্র ইসলাম ধর্মের মানুষ ও ইসলাম ধর্মের অন্যতম কান্ডারী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)এর উম্মত এবং জাগতিক মহা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ,শান্তিপ্রিয়,   পবিত্র ইসলাম ধর্মের একজন খুদে সদস্য।

পুলিশের উপ পরিদর্শক আজাদ সোনারগাঁয়ে উল্লেখযোগ্য সামাজিক ও মানবিক কাজের বাস্তব স্বাক্ষী হচ্ছে ২০ আগস্ট মঙ্গলবার  সকালে  ১২৮ বছর বয়সী বৃদ্ধর দেখা শুনার ইচ্ছা পোষণ আলোচিত ঘটনাটি।

জানা গেছে, ১২৮ বছর বয়সী বৃদ্ধর দেখা শোনার ইচ্ছা পোষণ করেছেন সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। ২০ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে সোনারগাঁও থানায় ছেলে ও ছেলের বউদের থেকে বাঁচতে সহযোগিতা চাইতে গেলে এসআই আজাদ এ আশ্বাস দেন।

এসআই আজাদ ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘সোনারগাঁয়ের চরভবনাথপুর এলাকার বন্দর আলী (১২৮)। সকাল সাড়ে ১১টায় থানার গেইটের সামনে লাঠি ভর দিয়ে গুটি গুটি পায়ে হেটে আমার রুমে এসে করুন কণ্ঠে আমাকে বলে, বাবা তুমি আমাকে বাচাঁও। আমার ছেলে এবং ছেলেদের বউরা আমাকে খাবার দাবার দেয় না এবং কোন খোজ খবরও রাখেনা। উল্টো আমাকে ওরা নির্যাতন করে। বৃদ্ধ বাবার কথাগুলো ভেজা কণ্ঠে থানায় শুনে মাথাটা ঠিক

রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। আমি বিষয়টি সোনারগাঁও থানার ওসিকে জানালে তিনি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে আমি পুলিশের টিম নিয়ে বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আশ পাশের লোকজনদের জিজ্ঞেসাবাদ করি। ঘটনার সত্যতাও মিলে কিন্তু তার ছেলেদের বাড়ীতে না পাওয়ায় তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে। গ্রেফতারের পর ওদের বুঝাবো বৃদ্ধ বাবাকে কষ্ট দেওয়ার যন্ত্রনা কি? তবে যদি তার ছেলে এবং ছেলে বউদের কাছে বৃদ্ধ বাবাটি বোঝায় হয়ে যায়। তবে আমিই বৃদ্ধ বাবাটির দায়িত্ব নিবো যতদিন আল্লাহ তাকে বাচিয়ে রাখেন। একবার ভাবুনতো আমরা কতটা মানুষ হলে এমন বৃদ্ধ বাবাকে কষ্ট দিতে পারি?’ প্রসঙ্গত এর আগেও আজাদ এক বৃদ্ধার দায়িত্ব নেন। তার জন্য নিজের টাকায় ঘর তৈরি করেদেন। দীর্ঘদিন দেখাশোনাও করেন তিনি। পরে ওই বৃদ্ধা মারা যায়।