মাহমুদ হাসান কচি : প্রায়ত পিতার প্রতাশা পূরণের পথ ধরেই মানুষের সেবায়, ইসলামে পথে ও মহানআল্লাহপাক রাব্বুল আল আমিনের খেদমতে নেমেছেন নারায়ণগঞ্জ আটা ময়দা মালিক সমিতিরসম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন মৃধা।

ব্যাক্তির ইচ্ছে পূরণ করতে গিয়ে মসজিদ ,এতিমখানা মাদ্রাসা করেছেন জসিম উদ্দিন সেই প্রয়াত ধর্মপ্রাণ মানুষ আলহাজ্ব রিয়াজ উদ্দিন মৃধার্।

নারায়ণগঞ্জে বহু ধনী লোক আছেন যারা ইচ্ছে করলেই পারেন একটি এতিমখানা নির্মাণকরে সেখানে এতিম শিশুদের শিক্ষাদিয়ে পবিত্র ইসলাম ধর্মের আদর্শের একজন গর্ভিত নাগরিক হিসেবে দাঁড় করাতে কিন্তু সমর্থবান ব্যাক্তিরা বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন মৃর্ধার বেলায় সেটা হয়নি।

এতিমখানা মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটির সাথে দানবীর জসিম উদ্দিন।

নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়া ছোট কবরস্থান এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বী ও সমাজ সেবক প্রয়াত রিয়াজ উদ্দিন মৃধার বড়ছেলে জসিম উদ্দিন র্মৃধা তার প্রয়াত পিতার ইচ্ছে পূরণ করতে গিয়ে নিজের টাকায় জমি ক্রয়করে সেখানে গড়ে তুলেছেন একটি এতিম খানা , মাদ্রাসা ও তারপাশেই মসজিদ।
সমাজ সেবক প্রয়াত রিয়াজ উদ্দিন মৃধার খুবই ইচ্ছে ছিলো একটি এতিমখান মাদ্রাসা ও তার পাশে একটি মসজিদ র্নিমাণ করার। তার ইচ্ছেটা প্রকাশ করেন বড়ছেলে জসিম উদ্দিনের কাছে।

মসজিদের বাইরের একটি অংশ।

মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের র্নিদেশ যে, এতিমদের মাথায় হাত রাখবে আমি খোদ স্বংয় তার মাথায় হাত রাখব” মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের সেই র্নিদেশনা অনুযায়ী ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন র্মৃধা তার বাবার নামে একটি এতিম খানা করেছেন। সেখানে এতিমদের পবিত্র কোরআনের শিক্ষাদেয়া হয়। এতিমখানার পাশেই করেছেন একটি সুন্দর জামে মসজিদ। এই মসজিদটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।

জসিম উদ্দিন র্মৃধা তার স্ত্রীর জন্য সাড়ে১০ শতাংশ জমিক্রয় করেন। জমিটিতার বাড়ির পাশেই। পিতা রিয়াজ উদ্দিন মৃর্ধার মৃত্যুরপর এইদিন বাড়ীরপাশের সেই খালি জমিটিতে গিয়ে দাঁড়ানোরপরই পিতার কথাটি মনেপড়ে যায়। ঠিক তখনই স্ত্রীর স্বরণাপন্ন হন এবং পিতার ইচ্ছের কথাটি প্রকাশ করারপর তারস্ত্রী সাথে সাথেই রাজী হয়ে যান শ্বশুর ও স্বামীর ইচ্ছে পূরণে তবে তিনি জমিটি মসজিদ ও মাদ্রাসার নামে ওয়াকফা করার একটা শর্তদেন যে, মসজিদ ও মাদ্রাসার মোতায়াল্লী হিসেবে সারা জীবন তার স্বামীর নাম থাকবে। শতর্টি এলাকার মুরুব্বীরা মেনে নেন। এরপরপরই দ্রুতগতিতে চলে আলহাজ্ব রিয়াজ উদ্দিন মৃধা হাফেজিয়া মাদ্রাসা লিল্লাহ্ বোডিং ও এতিম খানার কাজ।

শিক্ষার্থী ও কমিটির কমকর্তাদের সাথে প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জসিম উদ্দিন।

২০০৯ সনে স্থাপিত উক্ত মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বডিংএর শিক্ষার্থী বর্তমানে ৬২জন,বাংলা শিক্ষক ১জন,আরবী শিক্ষক ৩জন, অফিস সহকারী, দাড়োয়ান, মসজিদের মোতায়াল্লী, ইমাম সাহেব সহ এতিম শিক্ষার্থীদের খাওয়া দাওয়ার সমস্ত খরচই বহন করছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন মৃর্ধা।

মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বডিংএর শিক্ষার্থীরা জানান,জসিম মামা নিজের হাতে আমাদের জন্য বাজার করেন,তিনি তার মনমতো খাবার আমাদের জন্য কিনেন,প্রাতি সপ্তাহের ২দিন গরুর মাংস,একদিন খাসির মাংস,একদিন সাদা পোলাও মাংস,বিরিয়ানী সব মিলিয়ে সপ্তাহের একেক দিন একেক ধরনের ভালো খাবারের ব্যবস্থা করেন,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন,আমরা এতিম ,আমাদের এমন পরিবারে জন্ম যে, ইচ্ছে থাকলে অনেক কিছু কিনে খেতে আমরা পারবো না, কিন্তু মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আল আমিনের অশেষ রহমতে অবশেষে জসিম মামাকে দিয়ে মহান রিজিকদাতা আমাদের সকল শখ,সাদ পূরণ করাচ্ছেন।

শিক্ষাথীদের খাওয়ার সময়

আসলে বাস্তবতা হচ্ছে ইচ্ছে করলেই আমাদের এতিমদের সেবা অনেকেই করতে পারবেন না। কারণ সেখানে মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আল আমিনের সন্তুষ্টি থাকতে হবে । দেখুন গোটা নারায়ণগঞ্জের কথা বাদ দিলাম আমাদের এই ১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডেই অনেকে আছেন তিনি একাই এক হাজার এতিমকে পালতে পারেন কিন্তু আমার মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আল আমিন ঐ লোকের ভাগ্যে সে দায়িত্ব দেননি তাই তিনি পারছেন না ।

সেই অর্থেই আমাদের এতিম শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে আমার বলা আমাদের সম্মানিত চেয়ারম্যান, আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন মৃর্ধা সাহেব আমরা যাকে মামা বলি তিনি সত্যিকারের একজন ভাগ্যবান মানুষ কারণ তার উপর মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের সন্তুষ্টি আছে, সেই সাথে তার উপর আমাদের এতিমদের দায়িত্বভার তুলে দিয়েছেন কারণ পৃথিবীর সর্ব শ্রেষ্ঠ পবিত্র গ্রন্থ পবিত্র আল কোরআনের মাধ্যমে তিনি বলে দিয়েছেন যে ব্যাক্তি এতিমদের মাথার উপর হাত রাখল সে যেন স্বয়ং আমার মাথায় হাত রাখল। সে অর্থেই বলা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জসিম মামা আমাদের খেদমতের মাধ্যমে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের সেবার কাজ করছেন।

ছাত্রটি আরো বলেন, জসিম মামা কতোটুকু ভাগ্যবান দেখুন, তার এই মাদ্রাসা থেকে একেকজন এতিম ছাত্র কোরআনে হাফেজ হয়ে বেরহবে আর এই হাফেজদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ্পাক রাব্বুল আল আমিনের মর্যদা অনেক।সেই কয়েক হাজার হাফেজ তৈরীর মূলই হচ্ছেন এই জসিম মামা অতএব এবার চিন্তা করুন তার উপর মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আল আমিনের সন্তুষ্টি কতোটুকু?

মসজিদের ইমাম মাওঃ আবুতাহের সহকারী ইমান মোঃ রায়হান,মাদ্রাস ও লিল্লাহ্ বডিং এতিম খানার প্রধান সাইদুর রহমান,ইমরান,শাকিল আমিনূলদের মতে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন মৃধা হচ্ছেন আল্লাহর খেদমতের পাশাপাশি তিনি সমাজ সেবা করে যাচ্ছে এমন ভাগ্য সকলকে আল্লাহ্ দান করেন না এবং অনেকের এরচেয়ে শতগুন বেশী অর্থ থাকলেও সে ধনী বেক্তি টি এমন কাজ করতে পারেন না।

এরও মূল কারণ মহান আল্লাহ্র সে সন্তুষ্টি তার উপর নেই। তাই আমাদের মতে জসিম উদ্দিন মৃর্ধাকে আমাদের উসিলায় তিনি সুস্থ সুখী রাখুক তার মরহুম পিতা যার ইচ্ছের কারণে আমাদের এই এতিমদের আশ্রয়,শিক্ষা ও রুটি ,রুজির ব্যবস্থা হয়েছে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি নাজিল করুক সেই সাথে আমাদের চেয়ারম্যান সহ তার পরিবারের সকলকে র্দীঘজিবী করুক এই প্রর্থনা আল্লাহর কাছে থাকবে।

মুসুল্লীদের জন্য িশীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে।

এই বিষয়ে জসিম উদ্দিন মৃধার সাথে আরাপকালে তিনি বলেছেন, আমি সমাজের একজন নগন্য লোক মাত্র, যেহেতু আমি মুসলমান, মহান আল্লাহ রাব্বুল আর আমিনের প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ট্র নবী হজরত মুহাম্মদ (মুঃ)(সঃ) এর উম্মত হিসেবে আমি, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠধর্ম পবিত্র ইসলামের আলোতে এই সমাজ আলোকিত করার জন্য কাজ করছি। এটা তেমন কিছুই না। কারণ আমাদের যে বান্ধাদের মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আল আমিন সামর্থ দিয়েছেন সে সকল সমার্থবান মুসলমানদের ইমানী দায়িত্বই হচ্ছে এধরনের কাজ করা। আর এমন করে সমাজের মানুষের মনে ইসলামের আলো ছড়াবে এবং যার আলোতেই ইসলাম শান্তির হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে পৃথিবী।

এই সেই মসজিদ

সর্বশেষে জসিম উদ্দিন মৃর্ধা জানান,মসজিদ,মাদ্রাসার কাজে এলাকার কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু সহএলাকাবাসীর সহযোগীতা পেয়েছি এবং ভবিষ্যতে পাব কারণ সমাজের ভালো মানুষরাই ভালো কাজে এগিয়ে এসে আল্লাহর কাজে সরিক হন।।