নারায়ণগঞ্জের সোনারগা ও দেওভোগে গ্যাস বিস্ফোরণে আহত ১০, আশঙ্কাজনক ৭

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এবং সদর থানা এলাকায় পৃথক গ্যাস বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সোনারগাঁয়ে দগ্ধ চারজন ও সদরে আহত তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শনিবার (১০অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার কাঁচপুরের সোনাপুর এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণ ঘটে। একই রাত ৪টার দিকে সদর থানার দেওভোগের আখড়ার মোড় এলাকার একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় আরেকটি বিস্ফোরণ হয়।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন পৃথক ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোনারগাঁয়ের সোনাপুর এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হন মো: শরিফ (৩৪), তাঁর স্ত্রী রোজিনা (৩০), রোজিনার ভাই রিয়াজ (২২) ও মো. রনি (১৯)। তাঁদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ, শরিফ ও রিয়াজের ৪০ শতাংশ করে এবং রনির ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

অন্যদিকে, সদরের দেওভোগের আখড়ার মোড় এলাকায় বিস্ফোরণে ছয়জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে তিনতলা ভবনের বাসিন্দা শিখা রানী (৫৫), মনা আচার্য (৬০) ও মনার মা আশা রানী (১০০) রয়েছেন। স্থানীয়দের বরাতে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তাঁদের তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। বিস্ফোরণে পাশের একটি কাঁচা ভবনের পুষ্পিতা (১০), নিপা (৩৫) ও গৌর নিতাই (৬) আহত হন। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন।

আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, দেওভোগের ভবনটির নিচতলার রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের কারনে নিচতলার দেয়াল ধসে পাশের কাঁচা ভবনের ওপর পড়ে। এতে দুই ভবনের দেয়াল, আসবাবসহ বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বৈদ্যুতিক স্পার্কের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। গ্যাসের লাইনও যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হতো না।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« মার্চ ২০২৭ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
১২৩৪৫৬৭
৮৯১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১