বন্দরে সম্প্রতি সংঘটিত বুলবুল হত্যাকান্ড নিয়ে একশ্রেনীর ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টার ব্যাপারে তীব্র নিন্দা,প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসী সিফাত ও হোয়াইট জুম্মন গংএর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি জানিয়ে বিবৃতি পাঠিয়েছেন জনপ্রিয় যুবলীগ নেতা খান মাসুদ।
বিবৃতিটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় নারায়ণগঞ্জবাসী ও বন্দরবাসী,কিছুদিন পূর্বে আমার ২২নং ওয়ার্ডে ইসলামী যুব আন্দোলন বন্দর থানার জয়েন্ট সেক্রেটারি বুলবুলকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারী সিফাত ও হোয়াইট জুম্মনগং এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী কোনো দলের হতে পারেনা। খুনি সিফাত যুবলীগ কিন্বা ছাত্রলীগের কোনো ইউনিটের সাধারণ সদস্য সদস্য দুরে থাক, কোনো কর্মীও না।
আওয়ামী লীগ ১৫বছর ৭ মাস ক্ষমতায় ছিল,আপনার খোঁজ খবর নিয়ে দেখবেন সিফাত আমার কোনো প্রোগামে ছিলোনা,সে কোনোভাবেই আমার লোক না। একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে সিফাত আমার সাথে দু একটি ছবি তুলেছে,ছবি তুললেই সে আমার লোক হয়ে যায়না,আমরা ক্ষমতায় থাকতে ওর ব্যাপারে অনেক বিচার আসতো,আমি প্রশাসনকে বার বার ওর বিরুদ্ধে এ্যাকশন নিতে বলেছি,বড় বড় নেতাদেরও জানিয়েছি।
নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার বুলবুল খুবই ভাল মানুষ ছিল,আমি ২২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচন করেছিলাম,সসময় বুলবুল আমার জন্য পরিশ্রম করেছে।আমি বুলবুল হত্যার তীব্র নিন্দা জানাই এবং খুনি সিফাত গংএর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।
ওর স্ত্রী বিধবা হয়েছে, দুটি ছোট ছোট বাচ্চা এতিম হয়েছে, মহান আল্লাহ তায়ালা যেনো পরিবারটিকে শোক সইবার শক্তি দান করেন এই দোয়া করি।
খান মাসুদ আরো বলেন, ২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর থেকে বন্দরে আমিসহ আমার দলের হাজার হাজার নেতা কর্মী ঘর ছাড়া,বাড়ি ছাড়া,অথচ খুনি সিফাত ২ বছর যাবত বেপরোয়া হয়ে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছে,পুলিশের উপর পরপর দুইবার হামলাও করেছে,অথচ প্রশাসন থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি,তাহলে এই ২ বছর কার সেল্টারে ছিল সিফাত বাহিনী? যুবলীগ কিন্বা ছাত্রলীগ করলেতো ওর পালিয়ে থাকার কথা।
পরিশেষে একটি কথা, আমি খান মাসুদ একজন কর্মীবান্ধব নেতা হওয়ার দরুন হাজার হাজার লোক আমার কাছে আসতো,ছবি তুলতো,এখন কার ভিতর কি সেটা আমার জানার কথা না। সিফাত কখনো আমার লোক ছিলোনা,কোনো খুনি,সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আমার লোক হতে পারেনা।প্রশাসনকে অনুরোধ করবো,ওর মোবাইল ফোনটি চেক করলেই থলের বিড়াল বের হবে,কারা ওর সাথে যোগাযোগ রাখতো,আমার সাথে যোগাযোগ থাকলে সেটা বের হবে। সত্যমিথ্যা উদঘাটন করতে সিফাতের ফেসবুক,হোয়ার্টসআপ এবং ইমু নাম্বার ট্রেকিং করা হউক। তাহলেই জানাযাবে আমার সাথে ওর যোগাযোগ ছিলো কী না। পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতা কর্মীদের বলবো দয়া করে আপনারা খুনি সিফাত ও হোয়াইট জুম্মন গংকে আওয়ামী লীগ কিন্বা যুবলীগের লোক বলবেন না।
সে খুনি ও সন্ত্রাসী, এটাই ওর পরিচয়। বুলবুল হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছেন,শুধু বলতে চাই শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায়না,আমি বুলবুল হত্যাসহ বন্দরে সংগঠিত সকল হত্যার বিচার চাই এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। সন্ত্রাসী সিফাত ও হোয়াইট জুম্মন গংএর সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি এবং যারা নির্দোষ তাদের মুক্তি চাই।













