সকল সেক্টর নীরব!! শীতলক্ষা নদীতে আক্তার ছেলে জুবায়েরের তেল চুরির মহোৎসব

সকল সেক্টর নীরব!! শীতলক্ষা নদীতে আক্তার ছেলে জুবায়েরের তেল চুরির মহোৎসব। বন্দরের উত্তর লক্ষণখোলা এলাকায় আক্তার ও জুবায়েরের প্রকাশ্যে প্রতিদিন চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার লিটার ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোল।পদ্মা ডিপোতে আসা শীতলক্ষ্যা নদীতে নোঙর করে রাখা অবস্থায় জাহাজ থেকে বিশেষ কায়দায় জ্বালানি তেল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ একটি তেল চোর সিন্ডিকেট। বন্দরের উত্তর লক্ষণখোলা এলাকায় প্রকাশ্যে প্রতিদিন চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার লিটার ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোল।

জানা গেছে, নাসিক ২৫নং ওয়ার্ড বন্দরের উত্তর লক্ষণখোলা এলাকার মাঝি আক্তার হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জের শাহজালালের লোকজন তেলবাহী জাহাজ থেকে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারের মাধ্যমে প্রকাশ্যে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে নিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এ অভিনব কায়দায় চুরির সঙ্গে জাহাজের সারেং ও পদ্মা ডিপোর কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত। পদ্মা ডিপোর ঢাকা অফিসের জুনিয়র কর্মকর্তা মো. শাহারুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়টি নারায়ণগঞ্জের সহকারী ব্যবস্থাপক দেখেন। বিষয়টি যখন জেনেছি তখন প্রধান কার্যালয়ে অবগত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ নৌ-থানার ইনচার্জ রকিবুজ্জামান বলেন, নদীতে আমাদের টহল চলমান আছে। তবে গোদনাইল অঞ্চলটি কাঁচপুর নৌ-ফাঁড়ি দেখেন।

সূত্র মতে, উত্তর লক্ষণ খোলা এলাকার ঈমান আলী সরদারের ছেলে আক্তার মিয়া জিরো থেকে হিরো। ২০০০ সালেও তার বাড়িতে ছনের ঘর ছিল কিন্তু বর্তমানে সে ৭-৮ টা বাড়ির মালিক। তার আয়ের উৎস ছিল নৌকার মাঝি। বর্তমানে সে ব্লেকের তেলের ব্যবসা করে অঢেল প্রাচুর্যের মালিক বনে গেছে। তার চোরাই তেলের অনেক গুলো গোডাউন রয়েছে। যে গুলো তার বিভিন্ন বাড়ি এবং ঢাকেশ্বরী মিলস স্কুল এন্ড কলেজের প্রবেশ পথের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। শীতলক্ষা নদীর পশ্চিম পাড়ের চোরাই তেল সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখার কারনে অনুপশেখ তার চোরাই তেল গুলোর একটা বিরাট অংশ আক্তারের নিকট বিক্রয় করে, আক্তার সে তেল গুলো বন্দর থানার আওতায়, দাগের গাও, লাঙ্গলবন্দ, কাইকারটেক, মদনপুর, নবীগঞ্জের প্রতিটি দোকান ও ইটের ভাটায় সাপ্লাই করে। ২৮/৮/২০১৯ ইং তারিখেও র‍্যাব আক্তার মিয়াকে চোরাই তেল সহ আটক করে যার মামলা এখনও চলমান। বর্তমানে আক্তার মিয়া ও তার ছেলে জোবায়ের তেল চুরির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

তেল চোর আক্তার হোসেন চোরাই তেলের ব্যবসা করে এলাকায় বলে বেড়াচ্ছে বর্তমানে এমনিতেই করে যাচ্ছি। সকল দপ্তরের ম্যানেজ করেই ব্যবসা করছি। যদি পারে কেউ কিছু করবে বলে দম্ভোক্তি করে উচ্চ স্বরে বলে বেড়াচ্ছে আক্তার হোসেন। নদী পথে চাঁদাবাজি ও তেল চোরদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ জামাল উদ্দিন জানান, অপরাধীর পরিচয় অপরাধী। তথ্য তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই যথাযথ আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« নভেম্বর ২০২৬ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
      
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০