ফতুল্লার কুখ্যাত চাঁদাবাজ , অসংখ্য অপকর্মের হোতা ঈমান আলী প্রকাশ্যে 

ফতুল্লার কুখ্যাত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী হিসেবে দীর্ঘ বছর ধরেই কুখ্যাতি অর্জন করেছেন শ্রমিক লীগ ক্যাডার কাউসার আহমেদ পলাশ৷ হাট, মাঠ-ঘাট, মিলকারখানাসহ এমন কোনো সেক্টর নেই যেখান থেকে আওয়ামী লীগ আমলে পলাশ চাঁদা তোলেননি৷ এমনকি দরিদ্র অটোরিকশাচালকদের কাছ থেকেও ক্যাডার বাহিনী দিয়ে চাঁদা তোলার জন্য পলাশ জনগণের ঘৃণা কুড়িয়েছেন৷ আলীগঞ্জ, পাগলাজুড়ে পলাশের সন্ত্রাস ও চাঁদার রাজত্ব দেখাশোনা করে বিশাল এক বাহিনী৷ তাদেরই একজন কুতুবপুরের শিয়াচরের চাঁদাবাজ ঈমান আলী৷ অসংখ্য অপরাধ করেও এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে এই ধুরন্ধর ঈমান আলী৷

এলাকাবাসী জানান, চাঁদাবাজ ঈমান আলী মূলত কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ পলাশের ঘনিষ্ঠ ক্যাডার হিসেবে পরিচিত৷ পলাশের সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির সেক্টর দেখাশোনার দায়িত্ব এই ঈমান আলীর কাঁধে৷

আওয়ামী লীগ আমলে তাদের সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মাত্রা এতোটাই বেড়ে গিয়েছিলো যে, পলাশ বাহিনীর অত্যাচারে অসহায় শিল্পমালিকদের আর্তনাদের কথা পৌঁছে যায় জাতীয় সংসদ পর্যন্তও। সন্ত্রাসী পলাশের অত্যাচারে নারায়ণগঞ্জের অনেক ব্যবসায়ী শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বা অন্যত্র সরাতে বাধ্য হন৷ এনিয়ে জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোসহ একাধিক গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হয়৷  গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক রিপোর্টেও পলাশকে নারায়ণগঞ্জের শীর্ষ চাঁদাবাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়৷ আর এসব অপকর্মে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এই ঈমান আলী৷

তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরেও স্থানোয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে ম্যানেজ করে আরামে আছেন ঈমান আলী৷ তার বিরুদ্ধে জামায়াত শিবিরের সাথে ব্যাপক লিঁয়াজোর অভিযোগও বেশ পুরোনো৷ এলাকাবাসী জানান, আওয়ামী লীগ থেকে ব্যাপক সুযোগ সুবিধা নিলেও ঈমান আলীকে বিগত দুই বছর  কোনো প্রোগ্রামে দেখা যায়নি৷ বরং জামায়াত শিবিরের নেতাদের সাথে গোপন আঁতাতের মাধ্যমে প্রকাশ্যেই আছেন তিনি৷ ছাত্রজনতার হত্যামামলা থেকে বাঁচতে একটি পক্ষকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে ম্যানেজও করেছেন ঈমান আলী৷

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ১৬ বছর পলাশের সকল অপকর্মের সহযোগী হয়েও ঈমান আলী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন৷ প্রশাসনের এমন নির্লিপ্ত আচরণ কষ্টদায়ক৷

ফতুল্লা স্টেশন রোডের জুলাইযোদ্ধা ইয়াসির আরাফাত বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন শেষ হলেও আওয়ামী প্রেতাত্মারা এখনো আমাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে। অবিলম্বে পলাশ বাহিনীর সকলকে আইনের আওতায় আনা উচিত৷

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« এপ্রিল ২০২৭ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
   
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০